জন সুরাজ পার্টি- র প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর বিহার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না!
বিহারে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না প্রশান্ত কিশোর। তিনি নিজেই এই ঘোষণা করেছেন ! জন সুরাজ পার্টি-র প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানান, এ বারের ভোটে তিনি লড়ছেন না। তবে তাঁর দল লড়াই করবে। কেন তিনি ভোটে লড়ছেন না, তাঁর ব্যাখ্যাও দিয়েছেন পিকে। তাঁর দাবি, ভোটে না-দাঁড়িয়ে সাংগঠনিক কাজে মনোনিবেশ করতে চান।
মঙ্গলবার রাতে জন সুরাজ পার্টি তাদের প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করে। সেই তালিকায় নাম ছিল না পিকে-র। নির্বাচনের আবহে বিহারের রাজনীতিতে প্রশান্ত কিশোর বনাম আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের লড়াইয়ে জল্পনা শুরু হয়। প্রশান্ত নিজেই দাবি করেছিলেন, তিনি লড়লে বৈশালী জেলার রাঘোপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হবেন। ওই আসনের বিদায়ী বিধায়ক তেজস্বী। সেখানে তাঁর দল আরজেডি-র জমি শক্ত। সেই জমিতেই আঁচড় দিতে চেয়েছিলেন প্রশান্ত। রাঘোপুর ছাড়া বিকল্প হিসাবে আরও একটি কেন্দ্রের কথা বলেছিলেন তিনি। কারগাহার কেন্দ্র প্রশান্তের নিজের বিধানসভা এলাকা।

প্রশান্ত কিশোরের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না-করার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে দলের কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে। জন সুরাজ পার্টির দাবি, যদি প্রশান্ত কোনও কেন্দ্র থেকে লড়াই করেন, তবে তাঁকে শুধু সেই এক জায়গায় আটকে দেওয়া হবে। দল তা চায় না। বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ পার্টির প্রতিটি প্রার্থীর হয়ে প্রচার করবেন, লড়বেন।
পিটিআই-কে প্রশান্ত বলেন, ‘‘জন সুরাজ পার্টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না-করে আমার সাংগঠনিক কাজে মনোনিবেশ করা উচিত।’’ শুধু তা-ই নয়, প্রাক্তন ভোটকুশলীর ভবিষ্যদ্ববাণী, এ বারের ভোটে বিহারের ‘পরাজয়’ হবে এনডিএ-র। তিনি মনে করেন নীতীশ কুমারের দল জেডিইউ ২৫টি আসন জিততেও চাপে পড়বে। তাঁর কথায়, ‘‘বিহার থেকে বিদায় নেবে এনডিএ। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আর ফিরে আসবেন না নীতীশ কুমার।’’

